ডেঙ্গুর পর এবার নতুন আতঙ্ক অ্যানথ্রাক্স

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে ডেঙ্গু একটি আতঙ্কের নাম। পুরো দেশজুড়ে বিরাট আকারে এই রোগটি ছড়িয়ে পড়ায় হাজার হাজার মানুষ আজ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত। কিন্তু সম্প্রতি সময়ে বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় অ্যানথ্রাক্স রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা দেখা গিয়েছে৷ একদিকে ডেঙ্গু আতঙ্ক ও আবার তার উপর এসে গিয়েছে অ্যানথ্রাস্ক রোগ, ফলে মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ ও চিন্তা।

বাংলাদেশে যে অ্যানথ্রাক্স দেখা দিয়েছে তা মূলত শরীরের বাইরের অংশে প্রভাব ফেলছে। এই ধরণের অ্যানথ্রাক্সে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ফোঁড়া হয়ে থাকে।

অ্যানথ্রাক্স মূলত দু ধরনের হয়ে থাকে৷ একধরণের অ্যানথ্রাক্স হয় পরিপাকতন্ত্রে, আরেক ধরণের অ্যানথ্রাক্স শরীরের বাইরের অংশে সংক্রমণ ঘটায়। পরিপাকতন্ত্রে অ্যানথ্রাক্স জীবাণুর সংক্রমণ হলে সাধারণত হালকা জ্বর, মাংসপেশিতে ব্যথা, গলা ব্যথার মত উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, অ্যানথ্রাক্স গরু, ছাগল, মেষ–এই ধরণের প্রাণীর মধ্যে প্রথম দেখা যায়। এসব প্রাণীর মাধ্যমেই অ্যানথ্রাক্স মানুষের মধ্যে ছড়ায়।মূলত অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত পশুর মাংস কাটাকাটির সময় মানুষের শরীরের চামড়ায় কোনো ক্ষত থাকলে তার মাধ্যমে দেহে অ্যানথ্রাক্সের জীবাণু প্রবেশ করে।

অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীতে অ্যানথ্রাক্স রোগটি গোটা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মহামারী আকারে দেখা দিয়েছিল। বাংলাদেশে অ্যানথ্রাক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় ২০১০ সালে। পরবর্তী সময়ে রোগটি ছড়ালেও টিকার কল্যাণে তেমন বড় আকার নেয়নি৷

আরও পড়ুন