ঢাকার ৫ পয়েন্টে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি

বাজার স্থিতিশীল করতে আজ থেকে রাজধানীর পাঁচটি পয়েন্টে পেঁয়াজ বিক্রি করবে টিসিবি। ঢাকার বড় বড় বাজারে এখন ভালোমানের দেশি পেঁয়াজ ৭০ টাকা, দেশি কিং নামের পেঁয়াজ ৬৫ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবারও দেশি পেঁয়াজ ৫০-৫৫ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫-৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।

নিজেদের বাজার সামাল দিতে পেঁয়াজ রপ্তানির ন্যূনতম মূল্য টনপ্রতি ৮৫০ ডলার বেঁধে দিয়েছে ভারত। এ খবরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রোববার বাংলাদেশের বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ১৫ টাকা।

টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির জানান, বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এদিকে, স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমার প্রভাব ধীরগতিতে পড়ছে রাজধানীর পাইকারি বাজারে। ৪ দিনের ব্যবধানে কেজি প্রতি দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়লেও কমেছে ৪ থেকে ৫ টাকা। তবে খুচরা ক্রেতাদের পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে।

টিসিবি’র মুখপাত্র বলেন, নির্দেশনা মোতাবেক আমরা কার্যক্রম শুরু করেছি। খোলা ট্রাকের মাধ্যমে সারা দেশে বিক্রি করবো। দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে তুরস্ক, মিশর, মিয়ানমার এই তিনটি দেশের সাথে যোগাযোগ করার চেস্টা করছি, যাতে এলসি খুলে বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারি।

দেশে প্রায় ৩০ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন হয় ২৩ লাখ টন পেঁয়াজ। বাকী পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়।

কোরবানের পর থেকেই অস্থির দেশের পেঁয়াজের বাজার। তবে দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকার মধ্যেই ওঠানামা করছিল। গেল শনিবার ভারত সরকার পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৫৫০ ডলার বাড়িয়ে ৮৫০ ডলার করে। এই খবর শুনেই দাম বাড়িয়ে দেয় পাইকাররা। এক দিনেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৭০ টাকায়।

আড়তদাররা বলছেন, চলতি মৌসুমে প্রতিকূল আবহাওয়ায় পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ আমদানি না হওয়ায় সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। কিছু আমদানিকারক নিত্য এই পণ্যটি মজুদ করায় দাম বেশি বেড়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

একজন বলেন, আমরা বেশি দাম দিয়ে আনলে বেশি দামে বিক্রি করি। আবার কম দামে আনলে কম দামে বিক্রি করি।

আরও পড়ুন