নয়াদিল্লিতে বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উদযাপন

ভারতের নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের আয়োজনে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে  আজ সোমবার সকালে দূতাবাসের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরানের নেতৃত্বে দূতাবাস কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের  প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

পরে বেগম মুজিবের স্মরণে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু হল মিলনায়তনে হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন দূতালয় প্রধান শাহেদ বিন আজিজ। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। দূতাবাসের উপ-হাই কমিশনার মো. নুরাল ইসলাম রাষ্ট্রপতির বাণী ও দূতাবাসের সহকারী প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা উইং কমান্ডার এস এম রাগিব সামাদ প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করেন। আলোচনায় অংশ নেন মিনিস্টার (ইকোনমিক) রাশেদুল আমীন।

 

হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরান তার বক্তব্যে বলেন, বেগম ফজিলাতুন নেছা বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নেপথ্যে সবসময় অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনীতির কঠিন মুহূর্তগুলোতে বঙ্গবন্ধুর সাহসী অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করেছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের নেপথ্যেও বেগম মুজিবের পরামর্শ ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সংগ্রামের নেপথ্যে কারিগরের ভূমিকায় বেগম মুজিব এক মহিয়সী নারী হিসেবে বাঙালির হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন। তিনি ছিলেন অসাধারণ এক বাঙালি নারীর প্রতিচ্ছবি, অতি সাধারণ ও সহজ-সরল। আলোচনা শেষে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট নিহত সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনায় এক বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

সন্ধ্যায় দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু হল মিলনায়তনে বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ঘটনাবহুল জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছোট বোন শেখ রেহানার স্মৃতিবিজড়িত প্রবাস জীবনের আলোকে নির্মিত ‘এ ডটার’স টেল’ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

এ সময়ে দূতাবাসের কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির বিশিষ্টজন হল মিলনায়তনে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন