পুলিশি নজরদারিতেই হত্যা মামলার আসামির বাড়িতে লুটপাট

পাবনার সাঁথিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গ্রামে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত হওয়ার ঘটনার ২১ দিন পর পুলিশি নজরদারির মধ্যেও ঐ গ্রামের কয়েক বাড়িতে দফায় দফায় ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। থানায় লুটপাটের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার ও বৃহস্পতিবার রাতে হত্যা মামলার আসামি সিদ্দিক, আলহাজ ও আলহাজের ভাই রবিউলের বাড়িতে।

শনিবার সরেজমিন উপজেলার ধোপাদহ ইউনিয়নের দয়ারামপুর রবিউলের বাড়িতে গেলে দেখা যায় চারটি কক্ষে লুটপাট ও বাড়িতে ভাঙচুরের চিহ্ন রয়েছে। বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতে মুখোশ পরা ১০-১৫ জন ব্যক্তি অতর্কিত তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে চারটি খাট, চারটা ফ্যান, একটি ফ্রিজ, দুটি শোকেস, দুটি নলকূপ, পানির মোটর, দুটি খাবারের র্যাক ইত্যাদি লুট করে নিয়ে যায়। তারা বাথরুম টয়লেটসহ বাড়িঘর ভাঙচুর করে। একই গ্রামের সিদ্দিকের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া অন্য আসামিদের বাড়িতেও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

আব্দুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিপক্ষ প্রথমে তার বাড়িঘর ভাঙচুর করলে সাঁথিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে শুক্রবার রাতে তারা দ্বিতীয় দফা ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাঁথিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৮ দিন পুলিশের টহল ছিল। অতিরিক্ত পুলিশ না থাকায় লুটপাটের ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ২৫ মার্চ উপজেলার দয়ারামপুর গ্রামের তাজমল মেম্বার গ্রুপ ও এনামুল হক শশী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে শশী গ্রুপের নাজির নামে এক জন নিহত হয়।

 

আরও পড়ুন