প্রসংগ : ‘কোভিড-১৯’ এ বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা না মেনে বেতন আদায়ে চাপ সৃষ্টি”

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ

কোভিড-১৯’ এ বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা না মেনে বেতন আদায়ে চাপ সৃষ্টি করছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। এ মহামারি চলমান থাকলে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্কুল-কলেজসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কোভিড-১৯’ মহামারি থেকে অধ্যায়নরত চার কোটি শিক্ষার্থীকে সুরক্ষা দিতে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশব্যাপী সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেন। মহামারী চলমান থাকায় সাধারণ ছুটি বৃদ্ধির পাশা-পাশী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটিও বাড়াতে থাকে।
সর্বশেষ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত সাধারণ ছুটি বাড়ানোর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি রোজা ও ঈদের ছুটি মিলিয়ে ৩০ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়। আর সেই সাথে শিক্ষার্থীদের পাঠক্রমের ধারাবাহিকতা ঠিক রাখতে প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রেখেছেন শিক্ষা বান্ধব এই সরকার।
আগামী দিনের ভবিষ্যৎ শিশু-শিক্ষার্থীসহ চার কোটি শিক্ষার্থীর সার্বিক নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন,করোনা প্রতিরোধে এবং সকল প্রকার ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজন হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। পাশা-পাশী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা প্রনোদনা, কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষ, হতদরিদ্র, ভবঘুরে, এতিম, অসহায় দিনমজুর এবং ভাসমান মানুষসহ সার্বিক মানুষের কল্যানে গ্রহন করেছেন বহুমুখী খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী।
অন্যদিকে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় এই মহামারী সময়ে জাতীয় স্বার্থে ব্যাংক ও এনজিওর সুদ এবং বাড়ী ভাড়া মৌকুফ, টিউশন ফি এবং স্কুলের বেতন না নেওয়াসহ নানা মুখী নির্দেশনা দেওয়ার পরেও এক শ্রেণীর বে-সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানরা স্কুলের বেতন আদায়ে অভিভাবকদের মানসিক চাপে নাস্ত- নাবুদ করছেন।
অথচ  জানা মতে দীর্ঘ এই সময়ে কোন শিক্ষককে কোন শিক্ষর্থী বা অভিভাবকের বাসায় গিয়ে বা ফোনে খোঁজ খবর নিতে শোনা যায়নি। তাই দেশ জাতীর বৃহৎ স্বার্থে আপদ কালীন শিক্ষার্থী,  অভিভাবক এবং শিক্ষার সুস্থ্য পরিবেশ বজায় রাখতে,জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে বর্তমান শিক্ষা বান্ধব প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় শিক্ষা মন্ত্রনালয় কে ওই সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করাই এখন সময়ের দাবী।‌

 

আরও পড়ুন