বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের কালোজাদুর অমীমাংসিত রহস্য

গল্পটি একটি হোটেল কাম হোস্টেলের আমেরিকার বোস্টনের চার্লসগেট হোটেলটি বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা হোস্টেল হিসেবে ব্যবহার করত। ভালোই চলছিল সবকিছু। কিন্তু ১৯৮১ সাল থেকে পালটে যেতে থাকলো হোস্টেলটির পরিবেশ, ঘটতে থাকল নানা অদ্ভুত ঘটনা।

১৯৮১ সালে হঠাতই এক ছাত্র আত্নহত্যা করলেন। এর ঠিক দুই মাস পর লিফটে মারা গেলে এক ছাত্রী। পরের ঘটনাটি ঘটল আরো দ্রুত। পনের দিনের মাথায় এক ছাত্র কি যেন দেখে পুরোপুরি পাগল হয়ে যান।

কি দেখেছিলেন তিনি তা কেউ জানে না। রাত সাড়ে তিনটায় হঠাত ঐ ছাত্রের চিৎকার শুনে সবাই বেরিয়ে এসে দেখে তিনি মাথা চেপে ধরে সিড়ির নিচে পড়ে আছেন, মুখ দিয়ে ফেনা বেরোচ্ছে আর কোনো এক অজানা ভয়ে বিস্ফারিত হয়ে আছে তার চোখ।

এরপরই কোমরবেঁধে ঘটনাগুলোর কার্যকারণ খুঁজতে নামে বিশ্ববিদ্যালয়েরই একদল সাহসী ছাত্র। অনুসন্ধান করতে নেমে তারা এক রহস্যাবৃত সত্য উদ্ঘাটন করল। তারা খুঁজে পায় একটি গোপন রুম। দুই রুমের মাঝখানে একটি দেয়ালের বদলে দুইটি দেয়াল তুলে সুকৌশলে নির্মাণ করা হয়েছিল রুমটি।

কিন্তু রুমের ভেতরে প্রবেশের কোনো দরজা ছিল না। ভাগ্যক্রমে ওয়াল হ্যাঙ্গার লাগাতে গিয়ে অনুসন্ধানী দলের একজন রুমটি খুঁজে পান। রুমের মেঝেতে আঁকা ছিল ছয়কোণা বিশিষ্ট কালোজাদুর তারকা। তারকার ঠিক নিচেই লেখা ছিল, ‘যখন সময় আসবে তখন ডেমন নিজের বলি আদায় করে নেবে।’

স্বভাবতই, এই ঘটনার পর আর কেউই এই হোস্টেলে থাকতে চান নি। পুরোপুরি খালি হয়ে একদম পরিত্যক্ত হয়ে যায় হোস্টেলটি। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে ভবনটি নিলামে তুলে ভেঙ্গে ফেলা হয়।

আরও পড়ুন