ভারতকে টুকরো টুকরো করে দিতে চাইছে মোদী সরকার

কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করা নিয়ে মোদী সরকারের তীব্র নিন্দা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র।

তিনি বলেন, জম্মু- কাশ্মীরে বিজেপি বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীদের রাতের অন্ধকারে কোনো কারণ না দর্শিয়ে গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে।সারা দেশে আজ অঘোষিত জরুরি অবস্থা সৃষ্টি করা হয়েছে। দেশে বেকারত্বের সমস্যা, কৃষকদের সমস্যা, শ্রমিকদের দুর্দশা এসব দিকে নজর না দিয়ে ভারতবর্ষকে টুকরো টুকরো ক’রে দেওয়ার খেলায় মেতে উঠেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা ২৪-এ এই খবর প্রকাশ করা হয়।

সোমবার সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এদিন রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির দেওয়া বিজ্ঞপ্তি পড়ে শোনালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেইসঙ্গে পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য পুনর্গঠন বিল আনেন। তাতে বলা হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরকে দু’ভাগ করা হবে। তার মধ্যে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হবে লাদাখ। অপর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হবে জম্মু-কাশ্মীর।

লাদাখে কোনও বিধানসভা থাকবে না। কিন্তু জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা থাকবে। দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেই প্রশাসনের শীর্ষে থাকবেন একজন করে লেফটেন্যান্ট গভর্নর।

উপত্যকায় যে ‘ঝড়’ উঠেছে, তার আঁচ এদিন পড়ে সংসদেও। সকাল থেকেই রাজ্যসভায় যা ঘটল, বিশেষজ্ঞদের মতে তা এককথায় ‘নজিরবিহীন’।

এদিন ৩৭০ ধারা বিল পাস হওয়ার পরই ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধীরা। ‘রুল বুক’ নিয়ে চেয়ারম্যানের টেবিলের কাছে পৌঁছে যান ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর অভিযোগ, এত কম সময়ে যে বিল সার্কুলেট হয়নি, সেটি কীভাবে টেবিল হয়ে যাচ্ছে? সেটি কীভাবে রাজ্যসভায় পাস করে দিলেন অমিত শাহ?

কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন মেহবুবা মুফতি। “আজকের দিন গণতন্দ্রের সবচেয়ে কালো দিন” বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আরও পড়ুন