ভারতেও পিয়াজের দাম আকাশ ছোঁয়া

বাংলাদেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারতেও লাগামহীন পিয়াজের বাজার। বুধবার রাজ্যের মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু বাজার এবং কলকাতার একটি বাজারে পিয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা কেজি দরে।

বলা হচ্ছে, ভারতে পিয়াজের যথেষ্ট মজুদ নেই। ফলে বিদেশ থেকে পিয়াজ আমদানির কথা ভাবতে হচ্ছে ভারত সরকারকে। তবে এটা সিন্ডিকেটের কারসাজিও হতে পারে বলে সন্দেহ করছেন বিশ্লেষকরা।

আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া বাজারে পিয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজি-প্রতি ১৫০ টাকায়। নওদার আমতলা বাজারেও পিয়াজের দাম ১৪০-১৫০ টাকা কেজি।

এদিকে, কলকাতার রাজডাঙা বাজারে বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা কেজিতে। গড়িয়াহাট, মানিকতলা, লেক মার্কেট, ল্যান্সডাউনের বাজারে বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকায়।

তবে মফস্বলের বাজারগুলোতে বর্ষাকালীন নতুন পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি দরে। অপরদিকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও পিয়াজের দাম সেঞ্চুরি করে ফেলেছে।

কলকাতায় টাস্কফোর্সের সদস্যরা জানান, চাহিদার তুলনায় বাইরের রাজ্যগুলো থেকে পর্যাপ্ত জোগান না আসাতেই সমস্যা। পাইকারি বাজারেই পিয়াজের কেজি ১২০ টাকা।

খবরে বলা হয়, কয়েক মাস আগেও সাড়ে তিন থেকে সর্বাধিক ছয় টাকা কেজি দরে পিয়াজ বিক্রি করেছেন মুর্শিদাবাদের চাষীরা। তারা বলছেন, সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষেত থেকে তুলেই কম দামে পিয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হন তারা। তবে রাজ্য সরকারের সুলভ মূল্যের বাজার বা ভ্রাম্যমাণ গাড়িগুলোতে ৫৯ টাকা কেজি দরে পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে।

ঘাটতি মেটাতে মিসরের পর তুরস্ক থেকে পিয়াজ আনছে ভারত। ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এমআইএমটিসি কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে তুরস্ক থেকে ১১ হাজার টন পিয়াজ আমদানির ফরমায়েশ পাঠিয়েছে।

এর আগে মিসর থেকে ছয় হাজার ৯০ টন পিয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। দেশের বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ঘাটতি পূরণে গত মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এক লাখ ২০ হাজার টন পিয়াজ আমদানির অনুমোদন দেয়।

ইতোমধ্যে বিশ্বের অন্যতম পিয়াজ রফতানিকারক দেশ ভারত পিয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

আরও পড়ুন