ভারতে সরকারি হাসপাতালকে কভিড সেন্টার হিসেবে গড়ে তুলছে টাটা

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ৫০০ কোটি রুপির অর্থসাহায্য নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন রতন টাটা। দেশজুড়ে করোনা মোকাবিলায় টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান হিসেবে এই অর্থসাহায্য ঘোষণা করেছিলেন তিনি। তবে শুধু অর্থসাহায্যেই সীমিত না থাকেননি তিনি। করোনা মোকাবিলায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিতে এয়ারলিফট করা শুরু করে টাটা ট্রাস্ট। আর এবার চারটি সরকারি হাসপাতালকে সম্পূর্ণ নিজেদের দায়িত্বে কোভিড সেন্টার হিসেবে গড়ে তুলছে টাটা ট্রাস্ট। আগামী ১৫ জুন থেকে হাসপাতালগুলোতে সেবা দেওয়া শুরু হবে।

রতন টাটার কথায়, এটা অত্যন্ত জরুরি সময়। আমাদের সকলের জন্যে এটা অত্যন্ত কঠিন এক চ্যালেঞ্জের সময়।

জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের সাংলিতে ৫০ বেডের, বুন্ধনাতে ১০৬ বেডের হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে। আবার উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগরে ১৬৮ বেডের ও গোন্দাতে ১০৬ বেডের করোনা হাসপাতালের কাজ প্রায় শেষের পথে।

প্রতিটি হাসপাতালেই থাকবে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিট, ছোট অপারেশন সেন্টার, প্যাথোলজি ও রেডিওলজির সুবিধা, থাকবে ডায়ালিসিসের সুবিধাও।

এর আগে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যবহৃত পিপিই কিট, মাস্ক এবং অন্যান্য জিনিস আমদানি শুরু করেছিল টাটা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। এক বিবৃতিতে টাটা ট্রাস্ট জানিয়েছিল, এক কোটি ইউনিট আমদানির পর দেশের করোনা আক্রান্ত এলাকাগুলিতে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

টাটা ট্রাস্টের বিবৃতি অনুযায়ী, ‘এখনও পর্যন্ত মোট ১৫০ কোটি রুপির সরঞ্জাম নিশ্চিত করা হয়েছে।’

উল্লেখযোগ্য, ভারতে করোনা মোকাবিলায় মোট ১৫০০ কোটি রুপির সাহায্যের কথা বলেছে টাটা গোষ্ঠী। করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনার জন্য এই অর্থ ব্যবহার হবে বলে জানিয়েছিলেন রতন টাটা।

আরও পড়ুন