ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগারের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী পৌর শহরে ২০০৫ সাল থেকে সুপেয় পানি সরবরাহ প্রকল্প শুরু করা হয়। শহরের কিছু এলাকার সুপেয় পানি সংকট দূর হলেও সংকটাপন্ন রয়ে গেছে বেশিরভাগ এলাকা। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় আছে পুরাতন হাউজিং এলাকার প্রায় দেড় হাজার পরিবার। তবে এ সমস্যা সমাধানে নতুন প্রকল্পের কাজ হাতে নিয়েছে জনস্বাস্থ্য
প্রকৌশল অধিদফতর ডিপিএইচই।

২৮ আগস্ট বুধবার সকালে বিশুদ্ধ পানির সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে নোয়াখালী পৌর শহরের পুরাতন হাউজিং এলাকায় ভূ-গর্ভস্থ পানি শোধনাগারের নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ডিপিএইচই’র প্রকল্প পরিচালক মো. জহির উদ্দিন
দেওয়ান, জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাশ, নোয়াখালী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সুজিত বড়ুয়া প্রমুখ।

ডিপিএইচই জেলা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ চন্দ্র দাশ বলেন, কাজটি আগামী ২০২০ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের অধীন প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে লৌহ দূরীকরণ প্ল্যান্ট। শহরের পার্শ্ববর্তী নোয়ান্নই ইউনিয়ন এলাকায় ইতোমধ্যে ভূ-গর্ভ থেকে পানি উত্তোলনের প্ল্যান্টের কাজ শুরু করা হয়েছে। সেখান থেকে পানি উত্তোলন করে তা হাউজিং এলাকায় নির্মাণাধীন লৌহ দূরীকরণ প্ল্যান্টে আসবে। এখান থেকে পানি বিশুদ্ধ হয়ে তিনটি উচ্চ পানি ধারণ হাউজের মাধ্যমে বাসিন্দাদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হবে। পুরো প্রকল্প বাস্তাবন শেষে নোয়াখালী পৌরসভাকে হস্তান্তর করা হবে। তিনি জানান, এ লৌহ দূরীকরণ হাউজে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫০ ঘনমিটার পানি পরিশোধন হবে।

জানতে চাইলে নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহিদ উল্যাহ খান সোহেল বলেন, পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ৫০ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে, পৌর এলাকার বাসিন্দাদের প্রত্যেকের জন্য সুপেয় পানি নিশ্চিত করা তার নির্বাচনী ইশতেহারে ছিল। তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নোয়াখালী পৌর এলাকায় সুপেয় পানির সঙ্কট দূর হবে।

আরও পড়ুন