ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা, তিন কর্মচারী আটক

ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গাদের নাম উঠানো ও ভুয়া পরিচয়পত্র দেয়ার ঘটনায় চট্টগ্রাম নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এক কর্মচারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

ইসির কর্মকর্তারা সোমবার রাতে তাদের আটকের সময় চুরি হওয়া ইসির একটি ল্যাপটপও উদ্ধার করেন। এদিকে রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র প্রদানে ইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়িতের প্রমাণ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি)।

সম্প্রতি চট্টগ্রাম ইসির ডাটাবেজে ৪৬ রোহিঙ্গা ভোটারের নাম পাওয়া যায়। এ ঘটনার পর অনুসন্ধানে নামেন ইসির কর্মকর্তারা। এক অভিযানে সোমবার রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রামের ডবলমুরিং জোনের অফিস সহকারী জয়নাল আবেদিনকে আটক করা হয়।

তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী আরও দুইজনকে আটক ও ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে জানান ওসি মো. মহসিন।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) কবিতা খানম বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের হাতে যেন বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র না পৌঁছে সে ব্যাপারে আমাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, ডকুমেন্টের ভিত্তিতে অনেক সময় শনাক্ত করা যায় না। তবে ভোটার হতে আগ্রহীদের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বললে শনাক্ত করা সম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু রোহিঙ্গা শনাক্তও করা হয়েছে। জন্মনিবন্ধনসহ অনেক কিছু দেখে ভোটার করা হয়। রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক নেয়া আছে। সেই কপি আমরা নিয়ে এসেছি। কোনো রোহিঙ্গা তালিকাভুক্ত হয়ে থাকলে খুঁজে বের করার নির্দেশনা দিয়েছি। এটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। ২০১৪ সালে ল্যাপটপ হারানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মামলার তদন্ত হয়েছে।’

নির্বাচন কমিশনের কেউ জড়িত, প্রমাণ হলে বিভাগীয় অ্যাকশন নেয়া হবে। বাইরের কেউ জড়িত থাকলে ফৌজদারি অ্যাকশন হবে।

আরও পড়ুন