মাদরাসা শিক্ষকের বাসে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক ছাত্রীকে যাত্রীবাহী বাসে যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। এতে অভিযুক্ত বাসযাত্রী মাদরাসা শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জামাল উদ্দিন নগরের অক্সিজেনের বাইতুন ঈমান মাদরাসার শিক্ষক। তার বাবার নাম আব্দুল বারী ওয়াদুদ। বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতকে।

এর আগে বিকেল ৫টার দিকে ক্যাম্পাসের এক নম্বর গেট এলাকায় ওই ছাত্রীকে বাসে যৌন হয়রানি করেন জামাল উদ্দিন নামের ওই মাদরাসা শিক্ষক।

ঘটনার বিষয়ে ওই ছাত্রী জানান, ক্যাম্পাস থেকে শহরে ফেরার জন্য এক নম্বর গেট এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে উঠি। সেখানে আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী ছিলেন। জামাল উদ্দিন আমার পেছনে বসা ছিলেন। একপর্যায়ে বেশ কয়েকবার আমার শরীর স্পর্শ করেন তিনি। প্রতিবাদ করলে উল্টাপাল্টা কথা বলেন। এরপর শিক্ষার্থীরা জামাল উদ্দিনকে গাড়ি থেকে নামিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন।

এ বিষয়ে হাটহাজারীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সম্রাট খীসা বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জামালকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও এ ধরনের ঘটনা কেন কমছে না তা বোধগম্য নয়।

এর আগে ৮ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যাত্রীবাহী বাসে যৌন হয়রানি করেন এক যাত্রী। পরে মানিক মিয়া নামে ওই যাত্রীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত ২৭ নভেম্বর চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে ফেরার সময় যাত্রীবাহী বাসে আরও এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির চেষ্টা করেন চালক ও তার দুই সহকারী। এ ঘটনার দুদিন পর তাদের আটক করা হয়।

আরও পড়ুন