মেহবুবা প্রসঙ্গে মেয়ে সানার বিস্ফোরক মন্তব্য

সোমবার জম্মু-কাশ্মীরের থেকে বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা তুলে নেওয়া হয়৷ কেন্দ্র সরকারের এই সিদ্ধান্তের পক্ষেও যেমন অনেকেই, তেমনই এর বিপক্ষেও সরব হয়েছেন অনেকে৷ কাশ্মীরের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই একাধিক নেতাকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ৷ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি থেকে ওমর আবদুল্লাও রয়েছেন হেফাজতের তালিকায়৷ আর এই নিয়েই মুখ খুললেন মেহবুবার মেয়ে সানা মুফতি৷

একটি ওয়েবসাইটের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সানা মুফতি জানান, মেহবুবাকে মুফতিকে যখন গৃহবন্দি করা হয় তখন তার সঙ্গেই ছিলেন তাঁর মেয়ে সানা৷ পরে মেহবুবাকে একটি সরকারি গেস্ট হাউসে রাখা হয়৷ এবং মায়ের সঙ্গে তাকে যেতে দেওয়া হয়নি বলে সানা জানান৷

এক সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, সানা ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার বিরোধিতা করেছিলেন৷ সরকার প্রতারণা করেছে, কাশ্মীরবাসী প্রতারিত হয়েছেন বলে মনে করছে, এমনও জানান তিনি৷

সোমবার মেহবুবা ট্যুইট করেন- বিজেপির নেতা হওয়া সত্ত্বেও অটল বিহারী বাজপেয়ী কাশ্মীরবাসীর প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন৷ এবং কাশ্মীরবাসীর ভালোবাসাও ছিল তাঁর প্রতি৷ তাঁর অভাববোধ হচ্ছে খুবই৷

আর্টিকেল ৩৭০ ও ৩৫এ প্রত্যাহারের পর একদিকে যেমন বিরোধীতা অন্যদিকে চলছে উল্লাস। সারা দেশের কাশ্মীরী পন্ডিতদের মধ্যে শুরু হয়েছে সেলিব্রেশন। নাচে-গানে চলছে উল্লাস। কারণ অভিন্ন ভারতের অংশ হতে চলেছে জম্মু-কাশ্মীর। ভারত সরকারের সাথে যুক্ত দিল্লির কাশ্মীর সমিতি বিশেষ অনুস্থানের ব্যবস্থা করেছে রাজধানিতে। এই দলের প্রেসিডেন্ট সুমীর ছ্রাগু বলেছেন, ‘কাশ্মিরিদের জন্য আজ ঐতিহাসিক দিন। ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের খবর এদের সকলের কাছে দীপাবলির থেকে কোন অংশে কম নয়।’ এখবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা ২৪।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি আরও বলেন, আর্টিকেল ৩৭০ এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে যেখানে কাশ্মীরী পন্ডিতরা গণপ্রস্থানের পথ বেছে নিয়েছেন। জম্মু-কাশ্মীর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁর কথায় বারবার উঠে আসে, কাশ্মীর ফেরার আশা। এই কমিউনিটির লোকেরা এখনও তাঁদের নিজেদের মাটিতে ফিরতে চায়। আর্টিকেল ৩৭০ প্রত্যাহার প্রয়োগ হলে তাঁরা মাতৃভূমিতে ফিরতে শুরু করবে।

আরও পড়ুন