যেভাবে বাঁচল এরিকসেনের জীবন

মাঠেই এরিসকসেনের চারপাশে বলয় তৈরি করেছিলেন ডেনিশ খেলোয়াড়েরা। রেফারি অ্যান্টনি টেলর সঙ্গে সঙ্গেই খেলা থামিয়ে দিয়ে চিকিৎসকদের ডেকেছিলেন। কাল রাতে যে দৃশ্য সবাই দেখেছেন, সেটি হতবিহ্বল করে দেওয়ার মতোই এক দৃশ্য। এমন সময়ে মাথা ঠান্ডা রেখে এরিকসেনের জীবন বাঁচাতে কায়েরের পদক্ষেপগুলো যেকোনো বিচারেই ফুটবল–ইতিহাসে সেটি জায়গা করে নেবে।

এরপর ওই চিকিৎসক তাঁর চিকিৎসার ধাপগুলো বর্ণনা করেন, ‘আমি প্রথমে ওকে যখন দেখি, তখন সে নিশ্বাস নিতে পারছিল। তাঁর হৃৎস্পন্দন ছিল। কিন্তু হঠাৎ পরিস্থিতি পাল্টে যায়। তখন তাঁকে সিপিআর দিতে হয়। পুরো জিনিসটাই খুব দ্রুত হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এরিকসেনকে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি।’

 

আরও পড়ুন