যে কারণে ছাত্রদলের কাউন্সিলে স্থগিতাদেশ

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমানউল্লাহ আমান নামে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র সহকারী চতুর্থ জজ আদালত এই স্থগিতাদেশ দেন। বিএনপি মহাসিচব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দশজনকে বিবাদী করা হয়েছে।

আবেদনকারী আমানউল্লাহ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক ধর্মবিষয়ক সহ-সম্পাদক। আমানের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা। আদালতের স্থগিতাদেশের পর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখেছেন, ফলে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।

কিন্তু কেনো এই স্থগিতাদেশ? এই প্রশ্ন ঘুরছে আগ্রহীদের মনে? মামলার নথির তথ্য থেকে জানা যায় মূলত দুটো বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আদালতে সিভিল মামলাটি করেন বাদী। আদালত বিষয়গুলোর আইনি গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে এবং বাদীর জরুরি আর্জিকে আমলে নিয়ে কাউন্সিল স্থগিতের অস্থায়ী আদেশ দেন। এ পয়েন্টদুটো হলো-

১) প্রেস রিলিজ দিয়ে পুরনো কমিটি বিলুপ্ত করা আরপিও ও বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বেআইনি। দলের এই সিদ্ধান্তকে বাদী চ্যালেঞ্জ করেছেন।

২) এটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রদলের ৬ষ্ঠ কাউন্সিল আয়োজনের ওপর অস্থায়ী স্থগিতাদেশ চেয়েছেন।

কোনো বিচার বিশ্লেষণ ও যুক্তিতর্ক ছাড়া ছাত্রদলের কাউন্সিল স্থগিতের আদেশ দেয়া গভীর চক্রান্তমূলক ‘সরকারের মাস্টারপ্ল্যানে’র অংশ। সরকারের কারসাজিতেই এহেন আদেশ প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

আরও পড়ুন