রোহিঙ্গা গণহত্যা, কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি হচ্ছেন মিয়ানমার সেনারা

সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাখাইন রাজ্যে গণকবর উদ্ঘাটনের ঘটনায় সেনাসদস্যরা কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।

দেশটির সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইটে শনিবার (৩১ আগস্ট) বলা হয়েছে, রাখাইনের গুদার পিয়ান গ্রামে নির্দেশনা অনুসরণের দুর্বলতা ছিল সেনাসদস্যদের। সামরিক বিচারব্যবস্থার অধীনে এসব সেনাসদস্যকে কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি করা হবে। তবে কতজন সেনাসদস্য বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন বা কবে এই কোর্ট মার্শাল অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে সেনাবাহিনীর ওয়েবসাইট বিস্তারিত জানায়নি।

উল্লেখ্য, রাখাইনে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তাচৌকিতে ২০১৭ সালের আগস্টে হামলার পর পরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এ সময় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের ওপর হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন শুরু হয়। নির্মম নির্যাতন থেকে বাঁচতে সে সময় বাংলাদেশে পালিয়ে আসে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

এদিকে মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাখাইনের গুদার পিয়ান গ্রামে অন্তত পাঁচটি গণকবরের সন্ধান দেয়।

তবে মিয়ানমার সরকারের ভাষ্য মতে গণকবরে পাওয়া মৃতদেহগুলো সন্ত্রাসীদের। ওই সময়ে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, প্রায় ৫০০ গ্রামবাসী তাদের ওপর হামলা চালালে আত্মরক্ষার জন্য পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া হয়।

সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাং-এর কার্যালয়ের বরাতে বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম রাখাইনের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সামরিক আদালত।

আরও পড়ুন