সেনাবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান হওয়া অবাঞ্চনীয়

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার কাজে মুরুং জনগোষ্ঠী সব সময় সেনাবাহিনীকে সহযোগীতা দিয়ে এসেছে এবং সেনাবাহিনীও মুরং জনগোষ্ঠীকে আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আলীকদম সেনা জোনের তরফ থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে অনেক মুরুং ছেলেরা বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি বজায় রাখা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

যদি কেউ সেনাবাহিনীকে দুর্বল মনে করে তাহলে তারা ভূল করবে। সেনাবাহিনী সবাইকে আপনজন মনে করে। সুতরাং সেনাবাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে সন্দিহান হওয়া অবাঞ্চনীয়।

কিছু কিছু লোক আমাদের এলাকায় ঢুকে এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি বিনষ্ট ও উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করতে বিভিন্ন ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছে। এসব অপশক্তিকে কখনো ছাড় দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেকোনো অপশক্তিকে নিজ হাতে দমন করবে। বান্দরবানের আলীকদমে মুরুং হেডম্যান কারবারী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল সাইফ শামীম (পিএসসি)।

বুধবার বিকালে আলীকদম সেনা জোনের প্রত্যয়ী তেইশ চত্বরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম, আলীকদম সেনা জোনের উপ অধিনায়ক মেজর ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী রকিব উদ্দিন, লামা থানার অফিসার ইনচার্জ অপ্পেলা রাজু নাহা, আলীকদম মুরুং কল্যান ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক ইয়ংলক মুরুং, মুরুং কল্যান সংসদের সভাপতি মেনদন মুরুং, বিভিন্ন এলাকা থেকে আগাত মুরুং নের্তৃবৃন্দ, হেডম্যান,কারবারী সহ প্রমূখ।

সম্মেলনে বক্তারা আরো বলেন আলীকদমের উন্নয়নকে টেকসই করতে পর্যটন শিল্পের বিকল্প নেই। পর্যটন শিল্পকে সমুন্নত করা গেলে আরো বেশি পর্যটক এই এলাকায় আসবে। আলীকদমে পর্যটন শিল্প বিকাশে মুরুং জনগোষ্ঠিকে গাইড হিসেবে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

এসময় শিক্ষিত মুরুং যুবকদের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন সরকারি চাকুরীতে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা প্রদানের আশ্বাস দেন প্রধান অতিথি। পর্যটন বান্ধব এলাকা হিসেবে থানচি সড়কে নতুন বাজার স্থাপন করে মুরুং জাতীকে ব্যবসা-ব্যণিজ্যে সম্পৃক্ত করে জীবন মান উন্নয়নে সকল সহযোগীতার জন্য সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন