১৩৮ ইন্টারভিউয়েও চাকরি হয়নি অভিনেতা সিদ্দিকের

কটার পর একটা ইন্টারভিউ দিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু চাকরির খোঁজ পাচ্ছেন না এমন হয় অনেকেরই। ইন্টারভিউ দিতে দিতে হয়রান। শেষে হতাশ হয়ে বলেন আমাকে দিয়ে হবে না। আমার চাচা-মামার জোর নেই। এভাবেই হতাশা প্রকাশ করেন।

যেকোনো প্রতিষ্ঠান ছোট হোক বা বড়, নিয়োগ পদ্ধতি দ্রুত বদলাচ্ছে সবখানেই। তবে যেকোনো চাকরির জন্য মুখোমুখি বা সরাসরি সাক্ষাৎকারই (ইন্টারভিউ) এখনও সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি। বড় বড় কোম্পানির নিয়োগকর্তারা মনে করেন, যেকোনো চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি নির্ভর করে ইন্টারভিউতে আপনি কতটা ভালো করেছেন, তার ওপর।

তবে কিছু মানুষ আছে যারা চাইলেও নিজের দুর্ভাগ্যকে এড়িয়ে চলতে পারে না। আবার মাঝে মধ্যে এমনও ঘটে যে, তাদের দেখলে অনেকেরই যাত্রা অশুভ হয়! এমনই একজন মানুষ মতিন রহমান। কুফা মতিন হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি।

১৩৮ বার ইন্টারভিউ দিয়েও চাকরি না পাওয়ায় তার নামের সঙ্গে কুফা যুক্ত হয়ে গিয়েছে। শত চেষ্টা করেও মতিন তার কুফা উপাধি মুছতে পারে না।

প্রতিদিনই কারো না কারো জন্য অশুভ হয়ে দাঁড়ায় সে। মতিনকে দেখলে যেমন অনেকের দিন খারাপ যায় তেমনি নদীকে দেখলে মতিনের দিন ভালো যায়। মতিন নদীকে খুব ভালোবাসে, কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারে না। কারণ তারই কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিল নদীর বড় ভাই। মতিন কি পারবে ‘কুফা’ শব্দটি তার নাম থেকে বাদ দিতে?

সে প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে ‘কুফা মতিন’ নাটকে।

এই নাটকটি প্রসঙ্গে অভিনেতা সিদ্দিক বলেন, ‘মজার একটি নাটক এটি। নাটকে মতিন সবসময় কোনো না কোনো কুফার মধ্যে থাকে। নাটকের পরিচালক নিয়াজ আমার খুব কাছে ছোট ভাই। আমরা সবাই মিলে খুব সুন্দর ভাবে কাজটি শেষ করেছি। দর্শক নাটকটি দেখে অবশ্যই আনন্দ পাবেন।’

‘কুফা মতিন’ নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা নিয়াজ জানান, সমাজের প্রচলিত কিছু ভ্রান্ত ধারনা থেকেই নাটকের গল্পটি তৈরি করা হয়েছে। শেষে দর্শকের জন্য একটি বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি।

আসছে ঈদুল আজহায় একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারের জন্য নির্মিত হয়েছে নাটকটি। নাটকটির রচনা ও পরিচালনা করেছেন আরিফুর রহমান নিয়াজ।

এ নাটকে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সিদ্দিকুর রহমান। তার বিপরীতে নদী চরিত্রে দেখা যাবে অ্যানি খানকে। এছাড়া আরও অভিনয় করেছেন কাজী রাজু, আফরিন, রূপক, সোহেল, সায়মুম ইমতিয়াজ, হুমায়ুন কাবেরি প্রমুখ।

আরও পড়ুন