সিরাজগঞ্জের ৫ উপজেলা পরিষদে নির্বাচিত আওয়ামলীগ ৩ – স্বতস্ত্র ২

সুজন সরকার, সিরাজগঞ্জঃ

advertisement

সিরাজগঞ্জের পাঁচটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত ও দু’টিতে বিদ্রোহী প্রার্থী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। রোববার রাত ৯টার থেকে বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা শুরু করেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তারা। রাত ১টার সময় বেলকুচি উপজেলায় সর্বশেষ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। রায়গঞ্জ উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন
অফিসার মাসুদ রানা জানান, এ উপজেলার ১০৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে সবকটিতে আওয়ামীলীগের ড্রার্থী ইমরুল হাসান তালুকদার ইমন নৌকা প্রতীকে ৭৯ হাজার ৩৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম হোসেন সরকার শোভন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৫৩ ভোট।

শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হুসেইন খান জানান, উপজেলার ১৩৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ভোট জালিয়াতির অভিযোগে দু’টি কেন্দ্র স্থগিত ঘোষণা করা হয়। বাকি ১৩৭টি কেন্দ্রের আওয়ামী লীগের প্রার্থী অধ্যক্ষ আজাদ রহমান দুই লাখ ১৯ হাজার ৬২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুক্তার হাসান লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৯৮ ভোট।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু তাহির বলেন, উপজেলার আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফারুক হোসেন সরকার নৌকা প্রতীকে ৩৪ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধসঢ়;দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মামুন দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৯ হাজার ৭৫৪ ভোট পেয়েছেন। তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান জানান, এ
উপজেলার স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান মনি দোয়াত কলম প্রতীকে ৩৯ হাজার ৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সঞ্জিত কুমার কর্মকার নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৪৪৫ ভোট। অপরদিকে বেলকুচি উপজেলায় দু’দফা ভোট গণনা শেষে রাত পৌনে ১টার সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম সাজেদুলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেন জানান, নুরুল ইসলাম সাজেদুল দোয়াত কলম প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭৪৮ ভোট। তার নিকটত প্রতিদ্বন্ধসঢ়;দ্বী অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর সেরাজুল ইসলাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৭২৩ ভোট।

প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে জেলার আটটি উপজেলায় ভোট গ্রহণের কথা থাকলেও উচ্চ আদালতের নির্দেশে উল্লাপাড়া উপজেলার ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়। বাকি ৭ উপজেলার মধ্য চেয়ারম্যান পদে
দু’টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। এছাড়া, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইসচেয়ারম্যান পদে সাতটি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

You might also like

advertisement