বাসের মধ্যে কান্নাকাটি ক্রিকেটারদের

advertisement

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সদস্যরা। ওই মসজিদে তামিম ইকবাল, মেহেদী মিরাজ ও মুশফিকুর রহিমসহ অন্য ক্রিকেটাররা জুমার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলেন।

শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে জুম্মার নামাজের সময় ওই হামলা চালানো হয়।

বন্দুকধারীর হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৪০ জন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত এক নারীসহ চারজনকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ।
এদিকে মসজিদে হামলার ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন টিম ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট।

তিনি বলেন, এখনো আমাদের ফেরত যাওয়া নিয়ে কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ১৯ জনের টিকিট একসঙ্গে যোগাড় করাটা টাফ। ফ্লাইট শিডিউলের একটা ব্যাপার থাকে। এতগুলো টিকিট একসাথে। দুই একজন হলে হয়ত সহজ হত। আমরা প্রায় ১৯ জন ঢাকায় যাব এখান থেকে। এছাড়া অন্যান্য যে সহকারী কোচরা আছেন তারা বিভিন্ন দেশে যাবেন।

ক্রিকেটারদের বিষয়ে পাইলট বলেন, এটা খুবই স্বাভাবিক আপনার সামনে এমন টেরর অ্যাটাক লাইভলি দেখেছেন। নিজের গায়ের ওপর যে আসবে না সে বিষয়ে কেউই নিশ্চিত না। আমি প্লেয়ারদেরকে দেখেছি, বাসের মধ্যে কান্নাকাটি করতে, কী করা যায় তারা ভেবেছে। এটা আসলেই খুব কঠিন। এরপরে আমরা তাদের হোটেলে নিয়ে এসেছি। এই মুহূর্তে আমি ম্যানেজার হিসেবে সবাইকে হোটেলে একত্রিত করেছি

স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, তৃতীয় ও শেষ টেস্টকে সামনে রেখে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে হ্যাগলি ওভাল মাঠে লিটন দাস ও নাঈম হাসান ছাড়া বাংলাদেশ দলের সবাই অনুশীলন করছিলেন। অনুশীলন শেষে তারা ওই মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করতে যান।

ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভাল মাঠে শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টেস্টে মাঠে নামার কথা ছিল। কিন্তু পরে তা বাতিল ঘোষণা করা হয়।

You might also like

advertisement