আগামীকাল তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচন

advertisement

তৃতীয় ধাপের উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে প্রচারণা শেষ হয়। আগামীকাল রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ১১৭ উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম হলে ভোট বন্ধ করে দেয়া হবে।

প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত এবারের নির্বাচনে বিএনপিসহ সরকার বিরোধী অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বর্জন করায় ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে না। তৃতীয় ধাপে ১২৭ উপজেলার তফসিল হলেও ৬টি উপজেলার সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে ভোট হবে না। এছাড়াও এই ধাপ থেকে কক্সবাজার সদর ও নরসিংদী সদরের ভোট চতুর্থ ধাপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় কুতুবদিয়া এবং লোহাগাড়া উপজেলার ভোট স্থগিত রয়েছে। এই ধাপে যে ৬টি উপজেলায় সবাই ভোট ছাড়া নির্বাচিত হয়েছেন সেগুলো হলো-বরিশালের গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, মাদারীপুরের শিবচর, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ, নরসিংদীর পলাশ এবং চট্টপ্রামের আনোয়ারা। এই ধাপে ৩৩ জন চেয়ারম্যান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান ৯ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ১৩ জন নির্বাচিত হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাচনে চারধাপে এ পর্যন্ত ২১৬ জন বিনাভোটে জনপ্রতিনিধি হয়েছেন। এর মধ্যে ১০৭ জন উপজেলা চেয়ারম্যান, ৫০ জন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং ৫৯ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি চতুর্থ ধাপে ৮৫ জন ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হয়েছেন। তৃতীয় ধাপে চেয়ারম্যান পদে ৩৫৮ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬০৪ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৪১৪ জন প্রার্থী রয়েছেন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজারের মতো।

তৃতীয় ধাপের কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ

ভোটকে সামনে রেখে রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পের চৌহদ্দির বাইরে যেতে ২৩-২৫ মার্চ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগকে চিঠি দিয়েছে ইসি।

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে ইসির নির্দেশনা শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে পৌঁছেছে বলে জানান কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. বশির আহমেদ। তিনি জানান, কোনো রোহিঙ্গা শরণার্থী ২৩ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা থেকে ২৫ মার্চ সকাল ৮টা পর্যন্ত ক্যাম্প বা ক্যাম্পের চৌহদ্দি থেকে বের হতে পারবেন না। ওই সময় তারা অন্য কোথাও যেতে পারবেন না। এনজিও বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীদেরও গাড়ি নিয়ে ওই সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। খাদ্য, ত্রাণ ও জরুরি স্বাস্থ্য সেবা এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

You might also like

advertisement