নোয়াখালীতে সম্পত্তির লালসায় সাংবাদিককে ফাঁসানোর অভিযোগ মায়ের

জুয়েল রানা লিটন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ

advertisement

কোটি কোটি টাকার পৈত্রিক সম্পত্তি গ্রাস করার হীন লালসায় পুত্র সাংবাদিক আবুল হাসান রুনুকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ করে সরকারেরর স্বরাষ্ট্র, আইন, বিচার ও সংসদ মন্ত্রীসহ জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সোনাপুরের শহীদ বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুুল খায়েরের স্ত্রী ফাতেম খাতুন।

২৪ র্মাচ রোববার তিনি এ নিয়ে একটি দৈনিকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে অভিযোগ করেন, তার স্বামী ও শ^শুরের নামে সোনাপুৃরের ধানহাটা এলাকায় কোটি কোটি টাকা দামের সম্পত্তি রয়েছে। ইতোপূর্র্বে ওই সম্পত্তিতে নোয়াখালী পৌরসভা কর্তৃক গৃহিত কার্যক্রমের বিরুদ্ধে তার ছেলে আবুল হাসান রুনু মামলা দায়ের করেন। সে মামলার জের ধরে একটি সংঘবদ্ধচক্রের পরিকল্পিতষড়যন্ত্রের শিকার হয় তার পুত্র রুনু।

তিনি বলেন, গত ৫ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে তার ছেলে বাড়ির পানির কল মেরামত করার যন্ত্রপাতি কেনার জন্যে কলমিস্ত্রি মিলনসহ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল যোগে সোনাপুর বাজাওে যাওয়ার পথে আহম্মদিয়া স্কুলের প্রধান সড়কে জনৈক ব্যক্তি সালাম দিয়ে তার গাড়িটি থামান। এ সময় ওই ব্যক্তি গাড়িতে ওঠতে ধস্তাধস্তিতে লিপ্ত থাকাবস্থায় মোটর সাইকেলের পেছনে শপিং ব্যাগটি রেখে ঘটনাস্থল থেকে কেটে পড়ে। মুহুৃর্তেই র‌্যাব পরিচয়ে কতেক সদস্য অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে রুনুকে আটক করে ফেনী নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে ওই মামলায় রুনুকে আটক করে ফেনীতে নেয়ার একপর্যায়ে র‌্যাব এগুলো লবের হেরোইনের প্রতিক হলেও কাপড়ের দাগ ওঠানোর অভজেলিক পাউডার বলে জানান। ঘটনাটি রুনু প্রত্যক্ষ শুনেছে বলে রুনু তার মাকে জানান। রুনুর মা অভিযোগ করেন, আমার পুত্র হেরোইন ব্যবসায় জড়িত থাকলে আটক করার কথা র‌্যাব-৭। সেস্থলে র‌্যাব-১১ আটক করার কারণে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে এটি র‌্যাবকে ব্যবহার করে তার পুত্রকে ফাঁসানোর পরিকল্পিত ঘটনামাত্র।

এদিকে, চট্রগ্রাম ব্রাঞ্চের সিআইডি কর্তৃক তড়িগড়ি করে এগুলোকে হেরোইন বলে রুনুর বিরুদ্ধে চার্জশীট দেয়া হলেও এটি তার ছেলেকে চিরতরে জীবন বিপন্ন করে সহায় সম্পত্তি গ্রাসের কুটকৌশলের নাটক বলে তিনি জোর দাবি করেন। তবে মেয়র শহিদ
উল্যাহ খাঁন বলেন, এটি র‌্যাবের বিষয়। এর সাথে আমি কিংবা আমার পৌরসভার কেউ সম্পৃক্ত নয়।

You might also like

advertisement