স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাইনি ওরা তিন জন।

মাসুদ রানা জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

advertisement

অমর সরকার (বড়ো দা): সরকারি প্রজ্ঞাপনে দেশে বাদ পড়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও বীরঙ্গনাদের খোজেঁ বের করে পর্যায়ক্রমে
তালিকাভুক্ত করে তাদের খেতাব, সনদপত্র, সম্মাননা ও সম্মানী ভাতা প্রদানের মধ্য দিয়ে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরঙ্গনাদের অধীকার নিশ্চিত করার কথা থাকলে ও
এখন পর্যন্ত তা সম্পূর্নরুপে সম্ভব হয়নি।

ফলে অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার গৌরবময় ইতিহাস জাতির কাছে অজানায় থেকে গেছে। মহান মুক্তিযোদ্ধের
গৌরব গাঁথা স্বর্ণজ্জ্বল ইতিহাস ১৯৭১। যাদের আত্মত্যাগ ও ইজ্জতের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হলো, যারা ১৯৭১ সালে স্বদেশ ভূমি রক্ষা করতে পাকিস্তানী শত্রু
হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রুখে দাড়ালো। দীর্ঘ ৯ মাসে দেশ স্বাধীন হলো।

যাদের জীবন উৎসর্গের ফসল হিসেবে দেশ লাল সবুজের পতাকা পেল, নির্দিষ্ট
একটি ভূখন্ড পেল তারাই জাতির শ্রেষ্ট সন্তান। দেশ স্বাধীনের পর থেকে এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা সংরক্ষন প্রক্রিয়া। আর এ
লক্ষ্যে বর্তমান জনবান্ধব সরকার এবং মুক্তিযোদ্ধা প্রিয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গঠন
করা মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়।

পাশাপাশি রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ট্রাষ্ট, আছে মুক্তিযোদ্ধা ক্রিড়াচক্র। মুক্তিযোদ্ধার স্বার্থ সংরক্ষণে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে
কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। মুক্তিযোদ্ধাদের দেওয়া হচ্ছে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং সম্মানী ভাতা। মুক্তিযোদ্ধাদের সার্বিক সুযোগ সুবিধা প্রদানের মধ্য
দিয়ে সুশৃঙ্খল রাখতে ইউপি থেকে, উপজেলা কমান্ডার আর তাদেঁর নেতৃত্বে রয়েছে জেলা কমান্ডার। সেক্ষেত্রে জেলা পর্যায়ে নির্মাণ করা হয়েছে মুক্তিযোদ্ধা
কমপ্লেক্স। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বছর বছর বাড়ছে মুক্তিযোদ্ধা।

ফাঁক ফোকড়ে উদয় হয়েছে অমুক্তিযোদ্ধার। ইতোমধ্যে অনেকের আবার ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা
হিসেবে আতœপ্রকাশ ঘটেছে। পাশাপাশি দেশের অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্ধান অজানাই রয়েছে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর তেমনি এক মুক্তিযোদ্ধার
সন্ধান মিলেছে জয়পুরহাট জেলার সদরের খঞ্জনপুর এলাকার বঙ্গবন্ধু পাড়ার মৃত অমর সরকার (বুড়ো দা)।

তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধা চলাকালে দেশ শত্রুমুক্ত করতে
পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল জয়পুরহাট খঞ্জনপুর এলাকার মৃত মুক্তিযোদ্ধা বাঘা বাবলু, মৃত মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার
ওলিউজ্জামান আলম, মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জাকির হোসেন মন্টু, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান এদের সাথে সে সময় সরাসরি সহযোগি এবং অত্র এলাকার
মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন এই অমর সরকার (বুড়ো দা) লড়াই সংগ্রাম জোরদার করে শুত্রুদের পরাস্থ করতে তিনি একটি কামান
ও তৈরি করেছিলেন।

যা ঢাকা জাতীয় যাদুঘরে বুড়ো দা কামান নামে সংরক্ষিত আছে। ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনিবন্ধিত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের
তালিকাভুক্তি করণের মধ্য দিয়ে তাদেরকে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার একটু আশ্রয় দিবে সরকার। এমনটাই প্রত্যাশা করেন মুক্তিযুদ্ধ
চলাকালীন জয়পুরহাট জেলার খঞ্জনপুর এলাকার কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জাকির হোসেন মন্টু। জয়পুরহাট জেলার সদরের খঞ্জনপুর বঙ্গবন্ধু পাড়ার সবিতা
রানী । কে এই সবিতা রানী?

১৯৭১ সাল পাক সেনাদের অন্যায় অত্যাচার আর নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে শত্রুদের পরাজয় নিশ্চিত করতে দেশীয়
প্রযুক্তিতে দুইটি কামান তৈরি করে নিজের জীবনের মায়া না করে শত্রুর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল যে মানুষটি সেই হলো প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা অমর সরকার
বুড়ো দা তারই স্ত্রী এই সবিতা রানী। সাইকেল, হ্যাচাক লাইট, ইয়ারগান ও বন্দুক মেরামত করে সংসার চালাতেন বুড়ো দা। কোন অজানা কারনে মুক্তিযোদ্ধার
সনদ পাননি তিনি। অনেক অফিসে ও অনেকের দারে দারে ঘুুড়েও কোন লাভ হয় নি। সহায় সম্বলহীন বুড়ো দা অসুস্থ হয়ে দীর্ঘদিন অনাহারে অর্ধাহারে
থেকে বিনা চিকিংসায় মারা যান জাতির শ্রেষ্ঠ এই মানুষটি অমর সরকার বুড়ো দা।

মিলেনি সামান্য সাহায্য। সামাজিক ভাবে কিংবা এলাকাবাসীর পক্ষ
থেকে অথবা এমনি সরকারের পক্ষ থেকে ও না। ২০১৩ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর জীবনের শেষ সময়ে এসেও ঋনের টাকায় প্লাস্টিকের ব্যাগ তৈরি করে যা আয় হয়
তাই চলে সবিতার সংসার। একটি অসুস্থ দুই ছেলে, ছেলের বউ আর নাতিদের নিয়ে কোন রকমে থাকেন সবিতা রানী। দারিদ্রতার সাথে লড়াই করে খেয়ে না
খেয়ে চেঁচে আছেন তারা।

১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধে অবদান রাখায় তার স্বামীকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সার্বিক সহযোগিতার হাত
বাড়িয়ে দিবে সরকার অশ্রুসিক্ত চোখে এমটাই বললেন প্রয়াত অমর সরকার বুড়ো দার স্ত্রী সবিতা রানী। অমর সরকার বুড়ো দার বিষয়ে জানতে চাইলে এ
বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি জয়পুরহাট জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন।

এ বিষয়ে জয়পুরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী
কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন ২০১৭ সালে ১১ই ফেব্রুয়ারী সর্বশেষ যাচাই বাছায়ে তারা যদি অংশ নিয়ে থাকে গেজেট হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি দেখা
হবে। নাম অন্তর্ভুক্তি হলে বিষয়টি চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় প্রয়োজনে কাগজ পত্র সঠিকভাবে যাচাই বাছায় করে সুপারিশসহ আবারো
পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

রবিন টপ্টর : স্বাধীনতা সংগ্রামী বিজয়ী হলেও জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন রবিন টপ্প। অনেক আশা আকঙ্খায় বুক বেধেঁছিলেন। তার
জীবদ্ধশায় মুক্তিযোদ্ধার খেতাব পাবেন তিনি। অবশেষে নিয়তির ডাকে সাড়া দিয়ে গত ০৯ জানুয়ারী ২০১৯ইং স্ত্রী, এক ছেলে পল রবীন ও এক মেয়ে এনি
অপর্ন্যাকে রেখে চলে গেলেন তিনি। স্বাধীনতার ৪৭ বছরেও মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃত মেলেনি রবিন টপ্প। মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃত চান স্বাধীনতা যুদ্ধে
অংশগ্রহনকারী দেশ বিভাগ থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের সনদপত্রধারী রবিন টপ্পর পরিবার।

মুক্তিযোদ্ধা তালিকা থেকে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে বের করে
তালিকাভুক্ত করে খেতাব, সনদপত্র, সম্মাননা ও সম্মানিভাতা দেওয়ার মধ্য দিয়ে ৭১ -এর এই সাহসী সন্তানদের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করেছে ক্ষমতাসীন
আওয়ামীলীগ সরকার। এরপরও অনেক মুক্তিযোদ্ধার গৌরবময় আতœত্যাগের কথা জাতির কাছে অজনাই থেকে গেছে এখনো। এমন এক মুক্তিযোদ্ধার সন্ধান
মিলেছে দিনাজপর জেলার হাকিমপুর থানার বাসুদেবপুর গ্রামের মৃত বেনজামিন টপ্পের ছেলে রবীন টপ্প। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশ শত্রুমুক্ত করতে পাকিস্তানি
হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যারা সরাসরি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তাদেরই একজন এই রবিন টপ্প।

রবিন টপ্প বলেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন তিনি দিনাজপুর
জেলার সরকারী কলেজে বিএ ক্লাসের ছাত্র। মুজিব ক্যাম্পে ট্রেনিং শেষে ০৬ নং সেক্টর নীলফামারী সাব-সেক্টর কমান্ডার ফ্লাইট ল্যাফটনেন্ট ইকবাল রশীদের
আন্ডারে তিনি সরাসরি সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ নেন। তিনি আরও জানান, শত্রুর বিরুদ্ধে তার লড়াই শুরু হয় জলপাইগুড়ি। ঐখান থেকে চিলাহাটি হয়ে নীলফামারীর
মির্জাগঞ্জে এসে পাকহানাদার বাহিনীর ধাওয়া খেয়ে আবার জলপাইগুড়ি ইন্ডিয়ান ক্যাম্পে ফেরত যান। দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ শত্রুমুক্ত
হয়েছে, জাতি স্বাধীন দেশ এবং মানচিত্র ও লাল-সবুজের পতাকা পেয়েছে।

স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ভূ-খন্ডে বর্তমান সরকার গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত
করেছে। অথচ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অংশগ্রহনের পর বীর সৈনিক হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দেশ রক্ষা বিভাগ থেকে সিরিয়াল নং-
২৫৪ এবং এফ এফ নং -১৬০/১ সম্বলিত তৎকালীন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধিনায়ক মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসামনি কর্তৃক স্বাক্ষরিত স্বাধীনতা
সংগ্রামের সনদপত্র এবং নীলফামারী রংপুর এফ এফ সাব- সেক্টর কমান্ডিং অফিসার ফ্লা. লে. ইকবাল রশীদ স্বাক্ষরিত জবপড়সসবহফধঃরড়হ পত্র পাওয়ার পরেও স্বাধীনতার
৪৭ বছরে ও মুক্তিযোদ্ধার খেতাব, সনদ, সম্মাননা ও সম্মানি ভাতা কিছুই জোটেনি রবীন টপ্পের ভাগ্যে। এখন তার একটাই চাওয়া, যেহেতু সে প্রকৃত
মুক্তিযোদ্ধা, তাই তিনি মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চান। উল্লেখিত বর্ণনাগুলো রবিন টপ্পর জীবদ্ধশায় বলেছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন দিনাজপর জেলার হাকিমপুর
থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড অফিসে ধর্ণা দিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন লাভ হয়নি কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে হাকিমপুর থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লিয়াকত
বলেন, রবীন টপ্প প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তাই যাচাই বাছাই করে তার নাম তালিকাভুক্তির জন্য ২০০৪ সালে যাবতীয় প্রমাণসহ নাম তালিকা গণপ্রজাতন্ত্রী
বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন খোঁজখবর পাওয়া যায়নি। সে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। সে
স্বীকৃিত পাবে। বর্তমান সরকারের কাছে এমনটাই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে রবিন টপ্প’র স্ত্রী সুকলা টপ্প ও ছেলে পল রবিন এবং মেয়ে এনি অপর্ন্যা বলেন আমার বাবা
স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি অংশ নিয়েছে যুদ্ধ করেছে। সে বেঁচে থাকতে স্বাকৃতি পায়নি বটে এখন তার পক্ষ আমরা তার স্বীকৃতি চান বলে উল্লেখ করেন
তারা। এ বিষয়ে জয়পুরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন ২০১৭ সালে ১১ই ফেব্রুয়ারী সর্বশেষ যাচাই বাছায়ে তারা যদি অংশ
নিয়ে থাকে গেজেট হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি দেখা হবে।

নাম অন্তর্ভুক্তি হলে বিষয়টি চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় প্রয়োজনে কাগজ পত্র
সঠিকভাবে যাচাই বাছায় করে সুপারিশসহ আবারো পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।
শওকত আলী: স্বাধীনতার অনেক বছর পেরিয়ে গেলেও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পায়নি মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহনকারী মুক্তিযোদ্ধা শওকত
আলী। জয়পুর হাট জেলার সদর উপজেলার চকশম গ্রামেই তার নিজ বাড়ি।

জন্ম ১৯৫২ সালের ১১ই অক্টোবর বিগত ২০১০ সালের ৩০শে নভেম্বর মারা যান তিনি।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ডাক এলে পতিরাম পশ্চিম বঙ্গ বালুর ঘাট এলাকা মজিব বাহিনী এস কে ধামি কমান্ডারের নেতৃত্বে ট্রেনিং করেন তিনি। ট্রেনিং
শেষে ৭নং সেক্টরে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এরশাদ আলী দোলায় তালুকদারের ছেলে প্রয়াত মুক্তিযুদ্ধা শওকত আলী। যুদ্ধ শেষে দেশ রক্ষা বিভাগ থেকে
আতাউল গনি উসামানি তৎকালিন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধিনায়ক এবং আঞ্চলিক অধিনায়ক আবু তাহের ৭নং সেক্টর স্বাক্ষরিত সনদ পত্র পান শওকত আলী।
এছাড়া ও তিনি যে মুক্তিযোদ্ধা সে বিষয়ে ২০১০ সালের ১৩ ই আগষ্ট তৎকালিন মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার বীর মু্িধসঢ়;ক্তযোদ্ধা খন্দকার ওলিউজ্জামান আলম ও
প্রত্যয়ন করেছেন যাতে করে শওকত আলীর নাম মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি হয়।

এছাড়াও তার তিন জন সহযোদ্ধা প্রত্যয়ন করেছেন তাদের একজন বীর
মুক্তিযুদ্ধা মাহফুজুল হক বসুনিয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশ গেজেট নং ৩৪ এফ এফ নং- ২০১ মুক্তিবার্তা নং ০৩০৭০১০০৬০, বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী জন্টু
কুমার মন্ডল বাংলাদেশ গেজেট নং ১৪১ এফ এফ নং- ৩২৫০ মুক্তিবার্তা নং– ০৩০৭০১২০৩৩, বীর মুক্তিযোদ্ধা অর্শ্বনী কুমার মন্ডল বাংলাদেশ গেজেট নং ৪৬ এফ
এফ নং- ৩৫৬৮ মুক্তিবার্তা নং – ০৩০৭০১০০৮৪, প্রত্যায়ন করেছেন সহযোদ্ধা বীর মুক্তিযোদ্ধা আফছার আলী মন্ডল জয়পুরহাট থানা সদর ইউনিট কমান্ডার।
দীর্ঘ এত বছর পরেও ধারে ধারে ঘুরেও অনেক অজানা কারনে আমার বাবা মৃত শওকত আলীর ভাগ্যে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি মিলেনি উল্লেখ করে তার একমাত্র ছেলে
রফিকুল ইসলাম বলেন আমার জীবনের শেষ বিন্দু দিয়ে হলেও শেষ্টা চালাচ্ছিা চালিয়ে যাব। বাবার অসমাপ্ত কাজ অব্যাহত রাখব। গত ২০১৭ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারী

যাবতীয় কাগজ পত্রসহ জয়পুরহাট সদর উপজেলায় বাবার পক্ষে যাচাই বাছায়ে অংশ নিয়ে সুবিচার না পাওয়ায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)য় গত
১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ তারিখে আপিল করেন তিনি। যার আপিল নং – ৩২৩৯১ । সর্বশেষ যাচাই বাছায়ে সুবিচার কেন পাননি এ বিষয়ে জানতে চাইলে শওকত
আলীর ছেলে রফিকুল বলেন ১১ই ফেব্রুয়ারী ২০১৭ সালে সুবিচার না পাওয়া মুক্তিযুদ্ধ কালিন সাথে থাকা সহযোদ্ধাদের স্বাক্ষী না নেওয়া যাচাই বাছায়
বোর্ডে টাকা দিতে না পারা ইত্যাদি উল্লেখ করেন শওকত আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম। ।

এ বিষয়ে জয়পুরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল
ইসলাম বলেন ২০১৭ সালে ১১ই ফেব্রুয়ারী সর্বশেষ যাচাই বাছায়ে তারা যদি অংশ নিয়ে থাকে গেজেট হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি দেখা হবে। নাম অন্তর্ভুক্তি
হলে বিষয়টি চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় প্রয়োজনে কাগজ পত্র সঠিকভাবে যাচাই বাছায় করে সুপারিশসহ আবারো পাঠানো হবে বলে জানান
তিনি।

You might also like

advertisement