প্রসঙ্গ: শহীদ মিনার ও বধ্যভুমি

এম.এ.জলিল রানা

advertisement

দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই-অরক্ষিত আছে দেশের অনেক বধ্যভূমি। দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় স্বাধীনতা দিবস, মহান বিজয় দিবস আন্তজার্তিক ভাষা দিবসে শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পন করতে পারে না হাজার ও শিক্ষার্র্থীরা।

২১শে ফেব্রুয়ারী ২৬ শে মার্চ এবং ১৬ই ডিসেম্বরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য এবং ঐ দিন গুলির সঠিক ইতিহাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তুলে ধরার লক্ষ্যে দিবস গুলোতে যথাযথ মর্যদা ও ভাব গাম্ভির্জ্যর সাথে বিন্মশ্রদ্ধা সহকারে শহীদ মিনারে ও বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পন ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐ দিন অনুষ্ঠানিকভাবে দিবসগুলির প্রেক্ষাপটপর্যালোচনা করা হয়। এ দিবসগুলি সহজলভ্য কোন পণ্যসমগ্রী নয় ফলে অনেক আত্মত্যাগ ও তিথিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এ দিবসগুলি যার সমন্বয়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন দেশ নিদৃষ্ট ভূখন্ড এবং লাল সবুজের পতাকা।

দিবসগুলির যেন ঐদিনের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে এটা যেন সর্বজনিন দৃশ্যমান থাকে যে জন্য সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণ ও দেশের শহর থেকে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বধ্য ভূমিগুলো সংরক্ষণের কথা থাকলোও দুঃখজনক হলো সত্য স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও এই কাজগুলো সম্পন্ন হয়নি। এ দেশের যে সমস্ত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আত্মত্যাগ ও জীবন উৎস্বর্গে মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে তৈরি হয়েছে র্দীঘ ইতিহাস তাদের বিন্মশ্রদ্ধা জানাতে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নির্মাণ হবে শহীদ মিনার আর দেশের অরক্ষিত সকল বধ্যভূমি সুরক্ষিত হবে এমনটাই সংকল্প হক আজকের এই মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসে।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২৬ শে মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর কি এবং কেন? বাস্তবে এর মমত্ববোধ অনুসরন, অনুকরণ ও অনুধাবন করার মানসিকতা তৈরি হয়নি অনেকেরি ফলে সরকারি প্রজ্ঞাপনে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণের আদেশ থাকলে ও দেশের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ মিানরে পুষ্পমাল্য অর্পনের মধ্য দিয়ে দিবসগুলো পালন করে আসছেন অসংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

দল যার যার দেশটা সবার। এই স্লোগান সামনে রেখে দেশের স্বাধীনতা সাভৌমত্ব এবং গণতন্ত্র সমন্নত রাখতে ধর্ম বর্ণ জাতি ও দলমত র্নিবিশেষ সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে-জনস্বার্থে দেশেরস্বার্থে ও জাতীয়ও স্বার্থে স্বাধীনতা অর্জনের সকল কর্মকান্ডকে সঠিক ভাবে মূলয়ণ করা উচিত। কেননা তৎকালীন সময় যারা স্বাধীনতার পক্ষে লড়াই সংগ্রাম করেছে তারা স্বাধীনতা পক্ষের শক্তি (স্বাধীনতা কামী) আর যারা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল তারা স্বাধীনতা বিরোধী (যুদ্ধাপরাধী) কিন্তু তারাও যেহেতু এই দেশে বসবাস করছে।

রাষ্ট্রের সকল সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করছে তবে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা অর্জনের গড়াপত্তন থেকে স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত যা কিছু ঘঠেছে সবিত দেশ ও স্বাধীনতাকে কেন্দ্র করে সুতারাং এই সঠিক ইতিহাস মানতে বা মূলায়ন বাধা কোথায়। দেশ ছিল, আছে এবং থাকবে।

দেশে রাজনীতিকবিদসহ সকল শ্রেণীর পেশার মানুষ সেরা মানুষেরা পর্যায়ক্রমে চলে যাবে শুধু থাকবে ইতিহাস এই ইতিহাসকে সঠিক ভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে পারলে তবে পর্যায়ক্রমে আগামী প্রজন্ম দেশকে জানবে বুঝবে এবং ধারণ করবে তবেই তৈরি হবে দেশপ্রেম। মূলায়ণের ধারাবাহিকতা অবহ্যত থাকবে তাদের জন্য যারা একটি দেশ একটি জাতি ও একটি লাল সবুজের পতাকা জন্য সংগ্রাম করেছিল।

You might also like

advertisement