আগুনে নিহত মামুনের বাড়ি দিনাজপুরে চলছে শোকের মাতম

advertisement

বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জীবন বাঁচাতে গিয়ে জালানা দিয়ে বের হওয়ার সময় পড়ে গিয়ে নিহত হওয়া আব্দুল্লাহ আল মামুনের (৪৫) বাড়ি দিনাজপুর শহরের বালুয়াডাঙ্গায়। তার বাড়িতে এখন চলছে শোকের মাতম।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বালুয়াডাঙ্গার তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বিকেলেই খবর পেয়েছেন মামুনের পরিবারের সদস্যরা। মরদেহ না পৌছালেও তার বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্খিরা ভীড় করছেন।

মামুন বালুুয়াডাঙ্গা এলাকার মৃত: আবুল কাশেমের ছেলে। মামুনের বাড়ি দিনাজপুরে হলেও তিনি স্ত্রী ও ২ কন্যা (একজনের বয়স ১০, তাহিয়া) ও একজনের বয়স ৩ (তানহা) ঢাকার কল্যাণপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। যে ভবনটিতে আগুন লেগেছে সেই ভবনের ১২ তলায় হেরিটেজ এয়ার লাইন্স নামে একটি ট্রাভেলস এজেন্সিতে প্রধান হিসাবরক্ষক পদে কর্মরত ছিলেন মামুন।

এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামুনের বড় ভাই বিরল ডিগ্রি কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মোশাররফ হোসেন। তিনি জানান, ৩ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে মামুন দ্বিতীয়। মামুন প্রায় ১৫ বছর ধরে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ঢাকায় নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। বাড়িতে রয়েছেন বিধবা মা মেহেরুন নেছা। তার বাবা আবুল কাশেম প্রাক্তন বন কর্মকর্তা। আব্দুল্লাহ মামুন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আলহাজ্ব এম আব্দুল মজিদের শ্যালক।

মোশাররফ হোসেন জানান, জীবন বাঁচাতে মামুনসহ কয়েকজন মিলে তার ধরে নিচে নামছিলেন। এ সময় হাত থেকে তার ছুটে গিয়ে মামুন নিয়ে পড়ে গিয়ে মারা যায়। তার মরদেহ ময়না তদন্ত করা হবে বলে শুনেছি। এরপরে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে। তবে কখন হস্তান্তর করা হবে এ বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট না বলে জানান তিনি।

You might also like

advertisement