খালেদা জিয়াকে মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

advertisement

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, সরকার কর্তৃক বেগম জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসাকে বাধাগ্রস্ত করা দুরভিসন্ধিমূলক। গণবিরোধী কাজের দরুণ সরকারের এখন কোনো গণভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, আওয়ামী সরকার ঔপনেবেশিক শাসনের মতো জনগণের ক্ষমতাকে কেড়ে নিয়ে জনগণের স্বাধীনতাকে হরণ করেছে। সুতরাং গণশক্তির কাছে এই সরকার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নতজানু হয়ে পড়বে।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার অপশাসন জনগণ সকল শক্তি দিয়ে রুখে দেবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে এখন সংগ্রামী জনতা রাজপথে ধেয়ে আসছে।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন রিজভী।

রিজভী বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর মিডনাইট নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের শেষ চিহ্নটুকু মুছে ফেলতে উঠেপড়ে লেগেছেন। সেজন্য তিনি এখন বাকশালের প্রশংসা করে বক্তব্য রাখছেন। বাকস্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা তথা গণতন্ত্রকে কফিনে মুড়িয়ে কবর দেয়ার জন্যই বাকশাল নামক ‘৭৫ এর দুর্বিষহ দুঃশাসনের জয়গান শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার এই বক্তব্য অশুভ ইঙ্গিতবাহী। নিষ্ঠুর কর্তৃত্ববাদী শাসনের পথে যাতে কোনো বাধা না থাকে সেজন্য এদেশে গণতন্ত্রকে যিনি বারবার স্বৈরশাসনের শৃঙ্খল ভেঙে ফিরিয়ে এনেছেন সেই ‘গণতন্ত্রের মা’ খালেদা জিয়াকে বেআইনিভাবে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। তার জীবন এখন চরম সঙ্কটে। অবহেলা ও বিনা চিকিৎসায় কারাগারে বেগম জিয়াকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এক বিভিষিকাময় পরিস্থিতির দিকে। তিনি এখন জীবন-মরণের সন্ধিক্ষণে।

এর আগে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিকেল সাড়ে চারটায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় ঘুরে আবারও নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

You might also like

advertisement