বিএনপি নেতারা বেগম জিয়াকে তামাশার পাত্র বানাচ্ছেন

advertisement

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপির কঠোর আন্দোলনের ডাক খাঁচায় আবদ্ধ অসুস্থ সিংহের তর্জন-গর্জনের মতোই। এতে দর্শকেরা পুলকিত হন মাত্র। এই তর্জন-গর্জন দিয়ে লাভ হবে না। আর তারা বলেছে অঙ্গ সংগঠনদের নিয়ে আন্দোলনের কৌশল ঠিক করবে; কিন্তু আমরা দেখছি তারা গত দশ বছর ধরেই কৌশল ঠিক করছে।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার বেগম জিয়াকে নিয়ে নাটক করছে না, বরং বিএনপির রাজনীতি বেগম জিয়ার হাঁটু এবং কোমরের ব্যথায় আটকে গেছে। বেগম জিয়ার এই ব্যথা অনেক পুরনো। এ নিয়েই তিনি দুই দুইবার প্রধানমন্ত্রীত্ব করেছেন, বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন, বিএনপির নেতৃত্বও দিয়েছেন। কিন্তু এই ব্যথা নিয়ে সকাল-বিকাল সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি নেতারা বেগম জিয়াকে তামাশার পাত্র বানাচ্ছে।

আর জোর করে কাউকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যায়না, উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দণ্ডিত আসামি নিজে আবেদন করলেই তা বিবেচনার সুযোগ থাকে। আমি বিএনপি নেতাদের বলবো, দয়া করে আইন-কানুন পড়ুন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সাথে পাকিস্তানের যোগসূত্র অত্যন্ত স্পষ্ট শহীদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বেগম খালেদা জিয়া এবং পাকিস্তানের পার্লামেন্ট। আবার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতা করেছে বিএনপি এবং পাকিস্তান। এ থেকে মনে হয়, বিএনপি দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না।

আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের কর্মতৎপরতার প্রশংসা করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরার কাজে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর একুশ বছর ধরে স্বাধীনতা বিরোধীদের ‘নায়ক’ বানানো আর ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা চলেছে, কিন্তু নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানে।

আওয়ামী প্রজন্ম লীগের সাবেক সভাপতি মো. মনির হোসেনের সভাপতিত্বে বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান দুর্জয়, আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার বক্তব্য রাখেন।

You might also like

advertisement