নতুন উদ্যোমে কাজ করতে হবে

advertisement

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, চাষযোগ্য ফসলের নতুন-নতুন উন্নত জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষকদের চাষে আকৃষ্ট করতে হবে। স্বল্প সময়ে অধিক আবাদী কৃষিজাত ফসল কৃষক পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, এতে কৃষকরা লাভবান হবে এবং কৃষি উৎপাদনে তাদের উৎসাহ আরো বাড়বে।

ড. আব্দুর রাজ্জাক আজ বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল, তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের’ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান এ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিকে লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে সম্মানজনক একটি পেশায় পরিণত করতে হবে। তাহলে দেশের শিক্ষিত তরুণরাও এ পেশায় এগিয়ে আসবে।

তিনি বলেন, গতানুগতিক ধারা পরিহার করে নতুন উদ্যোমে কাজ করতে হবে। প্রকল্পগুলো আমাদের লক্ষ্যমাত্রা কতটুকু পূরণ করেছে বা লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কি করণীয় তা বের করতে হবে।

ডাল, তেল ও মসলা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণে সবাইকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে মোট তেল আমদানি করতে হয় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার। আর শুধুমাত্র ভোজ্য তেল আমদানির জন্য লাগে ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা।

এরফলে এখাতে বিপুল অংকের টাকা ব্যয় হচ্ছে এ কথা উল্লেখ করে ড. রাজ্জাক বলেন, আমদানি নির্ভরতা কমাতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি তৈল বীজ আবাদের এলাকাও সম্পসারণ করতে হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মীর নূরুল আলমের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বীজ উইংয়ের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) আশ্রাফ উদ্দিন আহমেদ ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. আব্দুল মুঈদ বক্তব্য দেন। এছাড়াও এ কর্মশালায় প্রকল্পের মূল কার্যক্রম উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ খায়রুল আলম প্রিন্স।

You might also like

advertisement