মুম্বাই দ্বিতীয়স্থানে দিল্লিকে হারিয়ে

advertisement

১৬৯ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতে শিখর ধাওয়ান ও পৃথ্বী শাহ’র আক্রমনাত্বক ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লে’তে ৪৮ রানের পার্টনারশিপ। এরপরও দিল্লি ম্যাচ হারল ৪০ রানে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রানে ইনিংস শেষ দিল্লি’র। দুরন্ত বোলিংয়ের সুবাদে ম্যাচ জিতে নিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

অল্প পুঁজির রান নিয়ে ম্যাচে দারুণ লড়াই করলো মুম্বাই। স্পিনার রাহুল চাহার একাই নিলেন ৩ উইকেট। ম্যাচের গেমচেঞ্জার এই লেগ স্পিনারই। শিকারের তালিকায় নাম পৃথ্বী শাহ, শিখর ধাওয়ান ও শ্রেয়স আইয়ার। দিল্লির টপ অর্ডারের তিন বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে মুম্বাইকে ম্যাচে ফেরান তরুণ চাহার। ৪ ওভারে ডানহাতি স্পিনারের খরচ মাত্র ১৯ রান। আইপিএল ক্যারিয়ারে রাহুল চাহারের এটাই সেরা বোলিং স্পেল।

চাহারের বলে রিভার্স সুইপ মারতে গিয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে আউট হন শিখর। উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসেন পৃথ্বীও। বোল্ড হন শ্রেয়াস। দিল্লির মিডল অর্ডারে জোর ধাক্কা দিয়ে দুই উইকেট তুলে নেন জসপ্রীত বুমরাহ। এদিন তাঁর শিকারের তালিকায় প্রথম নাম ঋষভ পন্ত। জসপ্রীতের অন্য উইকেটটি অক্ষর প্যাটেলের। ৪ ওভার এদিন তার খরচ মাত্র ১৮ রা। ম্যাচে কিমো পলকে রান আউটও করেন বুমরাহ।

রাহুল-বুমরাহের দুরন্ত বোলিংয়ে ভর করেই কোটলায় দিল্লি বধ করে পয়েন্ট টেবিলে দু’নম্বরে উঠে এল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ৯ ম্যাচে রোহিতদের সংগ্রহ এখন ১২ পয়েন্ট। ৯ ম্যাচে ৭টিতে জিতে ১৪ পয়েন্টে শীর্ষে ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে ১৬৮ রান তোলে মুম্বাই। ১৫ বলে ৩২ ধুঁয়াধার ইনিংস খেলেন হার্দিক পান্ডিয়া। ম্যাচের সেরাও হয়েছেন ভারতীয় অলরাউন্ডার। হার্দিকের ইনিংস সাজানো ৩টি ছয় ও ২টি চার দিয়ে৷

২৬ বলে ক্রুণাল করেন অপরাজিত ৩৭রান। পঞ্চম উইকেটে ৫৪ রানের পার্টনারশিপে গড়ে পান্ডিয়া ব্রাদার্স। চাপের মুহূর্তে দুই অলরাউন্ডার পান্ডিয়া ব্রাদার্সের বিধ্বংসী পার্টনারশিপই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।

You might also like

advertisement