ঘূর্ণিঝড় ফণি, চার বন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত

advertisement

সাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। আবহাওয়াবিদদের দেওয়া নাম অনুযায়ী এই ঝড়ের নাম ‘ফণি’। ঝড়টির বর্তমান গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। ঝড়ের কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। এ জন্য দেশের চার সমুদ্রবন্দরে দুই নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, ঝড়টি এখন ভারতের অন্ধ্র ও তামিলনাড়ু উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বাংলাদেশ উপকূল থেকে এখনও অনেক দূরে অবস্থান করায় দেশের চার সমুদ্র বন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ (বিএমডি)।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ২ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ নিয়ে বাংলাদেশের উপকূলবাসীর জন্য শঙ্কার তেমন কিছু আপাতত দেখতে পাচ্ছে না আবহাওয়া অধিদফতর। এখন পর্যন্ত যে এটির যে অভিমুখ, সেটি ভারতের উপকূল অতিক্রম করেই শান্ত হবে বলে মনে হচ্ছে। তবে শঙ্কা দেখা দিয়েছে কালবৈশাখী ঝড় নিয়ে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রবিবার (২৮ এপ্রিল) ভোর ৫টা পর্যন্ত দেওয়া এক পূর্বাভাসে বলেছে, ১৮টি জেলা ও তার আশেপাশের এলাকায় কালবৈশাখী ‘তাণ্ডব’ চালিয়ে যেতে পারে।

এক সতর্কবার্তায় বলা হয়, ঝড়ের প্রভাবে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, বেড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, ঝড়ের প্রভাবে ঢাকা, মাদারীপুর, রাঙামাটি, নোয়াখালী, ফেনী, রাজশাহী, যশোর, বাগেরহাট ও পটুয়াখালী অঞ্চলসহ সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে যে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল তা কমে যেতে পারে।

You might also like

advertisement