জেদ্দায় পৌঁছেছে বাংলাদেশি ২৬১৬ হজযাত্রী

advertisement

প্রথম দিনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত চারটি এবং সৌদি এয়ারলাইন্স পরিচালিত তিনটি মোট সাতটি ফ্লাইটে ২৬১৬ জন হজযাত্রী জেদ্দায় পৌঁছেছেন। আগত সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ৮ শত ৩৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ১ হাজার ৭ শত ৮২ জন। চলতি বছর হাজিদের নিয়ে বিমানের প্রথম ফ্লাইট ৪ শত ১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে ৪ জুলাই বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দুপুর একটা পনের মিনিটে জেদ্দা বাদশা আব্দুল আজিজ বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে হাজিদের অভ্যর্থনা জানান সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, জেদ্দার কনসাল জেনারেল এফ, এম, বোরহান উদ্দিন, হজ কাউন্সিলর মাকসুদুর রহমান, সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের ডিজি ইঞ্জিনিয়ার মারওয়ান সোলায়মানী ও দক্ষিণ এশিয় মোয়াছাছা সংস্থার চেয়ারম্যান ডক্টর ওয়াফাত ইসমাইল বদর।

প্রথম ফ্লাইটে আসা হজযাত্রীদের বাংলাদেশ ও সৌদি হজ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ফুল, জায়নামাজ, আতর এবং খেজুর দিয়ে বরণ করে নেন রাষ্ট্রদূত, কনসাল জেনারেল, হজ্ব কাউন্সেলর এবং কনসুলেট ও সৌদি হজ অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। বাংলাদেশ হজ্ব মিশন এবং মোয়াল্লেমের লোকজনের সহায়তায় হজযাত্রীরা জেদ্দা বিমানবন্দর থেকে মক্কায় পৌঁছান।

এ বছরই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের পাশাপাশি সৌদি আরবের ইমিগ্রেশন (প্রি–অ্যারাইভাল ইমিগ্রেশন) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু করা হয়েছে। ৬৪ হাজারের মতো হজযাত্রীর সৌদি অংশের ইমিগ্রেশন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সম্পন্ন হওয়ার কথা। এতে বিপুলসংখ্যক হজযাত্রীকে জেদ্দা বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে না।

হজ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ৪ জুলাই পর্যন্ত সর্বমোট ইস্যুকৃত ভিসার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮ শত ৬৭টি (ব্যবস্থাপনা ভিসাসহ)। এছাড়া এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনলাইনে মেডিক্যাল প্রোফাইল এন্ট্রিকরা হয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৭ শত ৩৫ জন হজযাত্রীর।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০১৯ সনের হজ অনুষ্ঠিত হবে ১০ আগস্ট। ২০১৯ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হজ এজেন্সির সংখ্যা ৫ শত ৯৮টি। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ৯ শত ২৩ জন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রার শেষ ফ্লাইট ০৫ আগস্ট, প্রথম ফিরতি ফ্লাইট ১৭ আগস্ট, এবং হজযাত্রীদের শেষ ফিরতি ফ্লাইট ১৫ সেপ্টেম্বর হওয়ার সিডিউল রয়েছে।

উল্লেখ্য, হজ-ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান ঢাকা থেকে জেদ্দা এবং ঢাকা থেকে মদিনায় বিশেষ ব্যবস্থার আয়োজন করেছে। এ বছরই প্রথম ঢাকা থেকে মদিনায় ১৮টি এবং মদিনা থেকে ঢাকা ১৫টি এবং চট্টগ্রাম থেকে ১৯টি, সিলেট থেকে ৩টি হজ-ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

You might also like

advertisement