অল্প বয়সে চুল পাকলে খাবেন যেসব খাবার

advertisement

আমাদের প্রতিদিনের খাবারের মধ্যে এমন কিছু খাবার রয়েছে যা অল্প বয়সে চুল পাকা সমস্যা প্রতিরোধ করতে সক্ষম। আবার এ খাবারগুলো চুল পাকা রোধের পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। তাই অল্প বয়সে চুল পাকা রোধে প্রতিদিন এই খাবারগুলো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

আজকাল কিশোর ও যুবক অনেকের মাথার চুল পাকা দেখা যায়। এই হার প্রতিদিনই বেড়ে যাচ্ছে। অল্প বয়সে চুল পেকে গেলে সবার কাছেই তা অস্বস্তির কারণ হয়। বাজে খাদ্যাভাস, প্রকৃতির বৈরী রূপ, অযত্ন এবং অবহেলার কারণে অনেকের মধ্যেই এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাছাড়া শরীরে পুষ্টির অভাব হলেও চুল পেকে যায়।

এবার জেনে নেয়া যাক চুল পাকা রোধ করে যেসব খাবার:

বাদাম: বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই এবং কপার যা চুল পাকা রোধ করতে সাহায্য করে। ভিটামিন-ই চুলের ফলিকল মজবুত করে এবং কপার দেহে মেলানিন উৎপন্ন করে চুলের রঙ কালো রাখতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন বাদাম খাওয়ার অভ্যাস রাখুন।

চকলেট: চকলেট চুলের জন্য বেশ কার্যকরী একটি খাবার। চকলেটে রয়েছে কপার যা দেহে মেলানিন উৎপাদনে সহায়তা করে। এটি চুলের কালো রং বজায় রাখে। নিয়মিত ডার্ক চকলেট খেলে অল্প বয়সে চুল পাকার হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন।

মাছ: মাছে বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার অল্প বয়সে চুল পাকা থেকে রক্ষা করে। মাছে উচ্চমাত্রার প্রোটিনও আছে যা চুলের জন্য খুবই জরুরি। এছাড়াও মাছে রয়েছে উপকারী হরমোন সেলেনিয়াম যা অল্প বয়সে চুল পাকা রোধে সহায়তা করে।

সবুজ শাকসবজি: সবুজ শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ডায়াটেরি ফাইবার থাকে। এছাড়াও এতে ভিটামিন বি থাকে যা মাথার ত্বকের সুস্থতা নিশ্চিত করে। তাই নিয়মিত শাকসবজি খেলে অল্প বয়সে চুল পাকার হাত থেকে বাঁচতে পারেন সহজেই।

আখরোট: আখরোটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ কপার। এই কপারই চুলে মেলানিন উৎপন্ন করে, যার ফলে চুল থাকে কালো।

কলিজা: কলিজা ভিটামিন-বি ১২ সমৃদ্ধ একটি খাবার। এই ভিটামিনটি যেমন রক্তাল্পতা দূর করে তেমনই চুল পাকা প্রতিরোধ করে।

সূর্যমুখী বীজ: সূর্যমুখী বীজের তেলে ভিটামিন-ই, আয়রন, জিঙ্ক এবং ভিটামিন বি৬ রয়েছে। যা চুলে পাক ধরা রোধ করে। রান্নায় তাই সানফ্লাওয়ার অয়েল ব্যবহার করা খুবই ভাল।

ডাল: ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১২ এবং বি-৯। তাই খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন ডাল রাখতে পারেন। চুলে পরিবর্তন আসবে।

ডিম: ডিম চুলের পুষ্টির জন্য অত্যন্ত জরুরি উপাদান। ডিমের সাদা অংশ নয়, ডিমের কুসুম পাকা চুল রোধ করতে বেশি সাহায্য করে।

বেরি ফল: বেরি জাতীয় ফল যেমন-স্ট্রবেরী যা ভিটামিন-সি তে ভরপুর। এগুলো চুলকে সুস্থ্য রাখে এবং চুল পাকা রোধ করে।

হলুদ ক্যাপসিকাম: একটি কমলার চেয়ে সাড়ে পাঁচ গুণ বেশি ভিটামিন-সি আছে হলুদ ক্যাপসিকামে। চুলের গোড়ায় পুষ্টি যোগাতে এবং পাকা চুল রোধ করতে সাহায্য করে হলুদ ক্যাপসিকাম।

উপরোক্ত খাবারগুলো আপনার খাদ্য তালিকায় রাখুন। অল্প বয়সে চুল পাকা সমস্যা থেকে রেহাই পেয়ে যাবেন। এগুলো চুল পাকা রোধ করার পাশাপাশি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

You might also like

advertisement